গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি ঠেকাতে ইউজিসির কেন্দ্রীয় নীতিমালা
উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি (প্লেজিয়ারিজম) প্রতিরোধে কেন্দ্রীয়ভাবে অ্যান্টি-প্লেজিয়ারিজম নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে নীতিমালাটি চূড়ান্ত করা হবে।
সোমবার (৯ মার্চ) ইউজিসি অডিটোরিয়ামে খসড়া অ্যান্টি-প্লেজিয়ারিজম নীতিমালা নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় নিজ নিজ উদ্যোগে অ্যান্টি-প্লেজিয়ারিজম নীতিমালা প্রণয়ন করলেও সেগুলো বিচ্ছিন্নভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ইউজিসির উদ্যোগে একটি কেন্দ্রীয় নীতিমালা তৈরি হলে তা দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অভিন্ন নির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।
প্রফেসর মাছুমা হাবিব বলেন, প্রস্তাবিত নীতিমালাটি বিশেষ করে নবীন গবেষকদের জন্য সহায়ক হবে। এতে সাইটেশন, তথ্য-উপাত্ত ব্যবহারের নিয়মসহ গবেষণার নৈতিক দিকগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাওয়া যাবে। এর ফলে গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের নৈতিকতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। শিক্ষকরা নৈতিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলে শিক্ষার্থীদের মধ্যেও গবেষণার সৎ চর্চা গড়ে উঠবে।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ইউজিসির স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স (এসপিকিউএ) বিভাগের পরিচালক ড. দুর্গা রানী সরকার। তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষায় একাডেমিক ও গবেষণা প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে চৌর্যবৃত্তি প্রতিরোধে ইউজিসি নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। খসড়া নীতিমালা চূড়ান্ত করার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নেওয়া হচ্ছে।
এসপিকিউএ বিভাগের উপপরিচালক মোহাম্মদ মনির উল্লাহর সঞ্চালনায় কর্মশালায় ২১টি পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি’র পরিচালক ও অতিরিক্ত পরিচালকসহ ইউজিসির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।